Header Ads


moving image by marquee html code

লড়াই করেও জেতা হলো না ইংল্যান্ডের

মঙ্গলবার রাতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। হ্যারি কেইনের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সামুয়েল উমতিতির গোলে সমতায় ফেরে ফ্রান্স। বিরতির খানিক আগে সিদিবের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কেইনের পেনাল্টি গোলে ইংলিশরা সমতায় ফিরলেও শেষ দিকে উসমান দেম্বেলের গোলে জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।
ম্যাচের প্রায় অর্ধেকটা সময় এক জন বেশি নিয়েও পারলো না ইংল্যান্ড। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানো ফ্রান্স শেষ দিকে প্রতিপক্ষের উপর একচেটিয়া চাপ ধরে রেখে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
২০১৫ সালের নভেম্বরে লন্ডনের ওয়েম্বলিতে ইংলিশদের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল ফ্রান্স। প্যারিসে ম্যাচের নবম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ডেলে আলির লম্বা ক্রসে রাহিম স্টার্লিং ব্যাকহিলে গোল করেন কেইন। ২২তম মিনিটে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। অলিভিয়ে জিরুদের হেড গোলরক্ষক টম হিটন ঠেকালেও ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসেই গোল করেন উমতি।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা লড়াইয়ে ৪৩তম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন সিদিবে। দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে জালে জড়ান মোনাকোর ডিফেন্ডার সিদিবে।
পেনাল্টির পর কেইনের সফল স্পটকিকে আবারো সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। অবশেষে ৭৮তম মিনিটে জয়সূচক গোল পেয়ে যায় একবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। পল পগবার পাস ধরে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন দেম্বেলে।

No comments

Thanks you for comment

Powered by Blogger.